April 19, 2026, 11:24 am

পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক পিস্তল,গুলি, ম্যাগাজিন, ককটেল, দেশীয় অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও নগদ ষোল লক্ষ নব্বই হাজার টাকা সহ ০৪ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ :আসন্ন জাতীয় সংসদ ও গনভোট নির্বাচন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলার আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও সর্বোচ্চ দায়িত্ববোধ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী।তার নির্দেশনায় প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন বিষয়ে অভিযান অব্যাহত চলছে এবং সাফল্য অর্জন করছে ।তারই ধারাবাহিকতায় ১২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. (সোমবার) আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলাউদ্দিন এর দিকনিদের্শনা মোতাবেক যৌথ বাহিনীর সহায়তায় আড়াইহাজার থানাধীন হাইজাদি ইউনিয়নের ভিটি কামালদী (মুন্সিরপুর) সাকিনস্থ মোঃ নাঈম (৪২) এর বসতঘরে দিবাগত রাত অনুমান ০৪:৪০ ঘটিকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের নাম-ঠিকানা ১। মোঃ সুজন (৩০), পিতা-আব্দুল মতিন, সাং-ভিটি কামালদী, ২। রুবেল ভূঁইয়া (৩৫), পিতা-মোঃ আরজু ভূঁইয়া, সাং-পাড়া মনোহরদী, ৩। রুনা বেগম (৩৮), স্বামী-মোঃ নাঈম, সাং-ভিটি কামালদী (মুন্সিরপুর), ৪। মোঃ নাঈম (৪২), পিতা-শহিদুল ওরফে শহিদুল্লাহ মিয়া, সাং-ভিটি কামালদী (মুন্সিরপুর), সর্ব থানা-আড়াইহাজার, জেলা -নারায়ণগঞ্জ বলে প্রকাশ করে। অতঃপর তাদের হেফাজত থেকে ১০৫ (একশত পাঁচ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৬ (ষোল) পুরিয়া হেরোইন, ০১টি বিয়ারের ক্যান, ১টি প্লাস্টিকের বোতলে অনুমান ১৫০ গ্রাম মদ, মাদক বিক্রয়ের নগদ ১৬,৯০,০০০/- (ষোল লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা ও ০৬ টি টালি খাতা উদ্ধারপূবর্ক বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়। অতঃপর আসামি মোঃ নাঈম (৪২) কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে একপর্যায়ে সে তার হেফাজতে অস্ত্র-গুলি ও বিস্ফোরক জাতীয় ককটেল রয়েছে মর্মে জানায়। অতঃপর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ টিম তল্লাশি করে মোঃ নাঈম এর বসতবাড়ির রান্নাঘরে চালের ড্রামের ভেতর থেকে (i) ০২ টি পিস্তল (ii) ৩ রাউন্ড গুলি (iii) ১ টি গুলির খোসা, (iv) ০২ টি ম্যাগাজিন, (v) ১০ টি ককটেল, (vi) ১ টি দা, (vii) ১ টি ধারালো চাকু, (viii) ১টি ছুরি, (ix) ১ টি ধারালো চাপাতি উদ্ধারপূবর্ক বিধি মোতাবেক জব্দ করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অস্ত্র আইন ও বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইন-এ পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা